ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে টিকটক

 

রাতারাতি জনপ্রিয় হওয়া থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দেশে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হওয়া – চীনা শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটকের এই ইতিহাস নিয়েই যেন একটি টিকটক (স্লো-মোশন, হাইপার স্পিড) ভিডিও করা সম্ভব। কিছুদিন আগে চীনা এই আ্যপের মাধ্যমে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনে একে ব্যান করেছিল ভারত সরকার। আর এখন আমেরিকাও এই পথে হাঁটছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ব্যান করতে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আগামী নভেম্বর থেকে টিকটকের উপর কার্যকর হবে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে জারি করা এই নিষেধাজ্ঞা। তবে এবার পাল্টা জবাব দেয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে  চীনা এই প্ল্যাটফর্মটিও। আ্যপটির উপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি হওয়া মাত্রই রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশের বৈধতা যাচাই করতে এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ওয়াশিংটন ফেডারেল আদালতে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছে টিকটক। যেখানে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে টিকটকের বিরদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।

 

যা স্পষ্টভাবে সাধারণ নাগরিকের বাকস্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে। অভিযোগপত্রে একই সাথে ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষমতার অপব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। টিকটকের মতে, আ্যপটি ব্যান হলে আমেরিকার লক্ষ লক্ষ তরুণের একটি প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস হবে। যদিও ইতোমধ্যে সরকারের কাছে মার্কিন নাগরিকদের তথ্যের সুরক্ষা সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট দিয়েছে টিকটক। তবে তারা সেটি আমলে নেয়নি বলেও দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদিও প্রথমে বলেছিলেন টিকটককে যদি কোনো আমেরিকান কোম্পানি কিনে নেয় তবে টিকটক নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পারবে। সে অনুযায়ী মাইক্রোসফট ও ওরাকল এগিয়ে আসে টিকটককে কেনার জন্য । তবে এই চুক্তি আদৌ বাস্তবায়ন হবে কিনা তা বলা কঠিন। এখন শুধু দেখার অপেক্ষা পানি আর কতটা ঘোলা হয়।

বন্ধুদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂




যেকোনো সমস্যা হলে গ্ৰুপে পোস্ট করলে অথবা পেজে মেসেজ দিলে সমাধান পেয়ে যাবেন 🔥🌺♥️🍀🌷
আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য,

Comment

Previous Post Next Post