বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হতে পারে টিকটক, লাইকি, বিগো লাইভ

 

রাতারাতি জনপ্রিয় হওয়া তারপর একের পর এক অভিযোগ কাঁধে নিয়ে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিতাড়িত হওয়া সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম চাইনিজ শর্ট ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক, লাইকি ও বিগো লাইভ। হরহামেশা বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিতর্কিত অভিযোগ উঠেছে অ্যাপগুলোর বিরুদ্ধে। কিছু দিন আগে ভারতে ও ইন্দোনেশিয়ায় ব্যান হয়েছিল টিকটক, সম্প্রতি পার্শবর্তী দেশ পাকিস্তানেও ব্যান করা হয়েছে টিকটককে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশেও নিষিদ্ধ হতে পারে বিতর্কিত এই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্লাটফর্মগুলো।

টিকটক

বাংলাট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে তরুণ প্রজন্মকে বিপদগ্রস্থ করার অভিযোগে দেশে বিগো লাইভ, টিকটক ও লাইকি বন্ধ বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সচিব, তথ্য মন্ত্রণালয় সচিব এবং বিটিআরসি’র চেয়ারম্যানকে নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জে আর খাঁন রবিন।

 

নোটিশে বলা হয়, এসব অ্যাপের ব্যবহার তরুণ প্রজন্মকে বিপদগামী করছে। নষ্ট হচ্ছে নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। তরুণ ও কিশোররা গ্যাংয়ে জড়িয়ে অপরাধমূলক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে, হয়ে উঠছে সহিংস। এ সব শর্ট ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে গিয়ে তরুণ প্রজন্ম অশ্লীল ভিডিও ছড়াচ্ছে। জেআর খাঁন রবিন বলেন, নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে ভিগো লাইভ, টিকটক, লাইকি অ্যাপস বন্ধ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে।

১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের ভিডিও। ভিউ লাখ লাখ। অনেক কিশোর- তরুণ উদ্ভট রঙে চুল রাঙিয়ে এবং ভিনদেশী অপসংস্কৃতি অনুসরণ করে ভিডিও তৈরি করছেন, এসব ভিডিওতে থাকে সহিংস ও কুরুচিপূর্ণ কনটেন্ট। অপরাধ বিশ্লেষক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, অ্যাপকেন্দ্রিক নৈতিক অবক্ষয়ের পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ।

বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂




যেকোনো সমস্যা হলে গ্ৰুপে পোস্ট করলে অথবা পেজে মেসেজ দিলে সমাধান পেয়ে যাবেন 🔥🌺♥️🍀🌷
আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য,

Comment

Previous Post Next Post