চাইনিজ মার্কেটে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত শাওমির : লিই জুন

 

বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ বৃহৎ স্মার্টফোন ব্র্যান্ড চাইনিজ টেক জায়ান্ট শাওমি। শাওমি একটি চীনে প্রতিষ্ঠান হলেও কোয়ালিটি প্রোডাক্ট ও কম্পিটেটিভ প্রাইজিং দিয়ে আজ একটি মাল্টিন্যাশনাল গ্লোবাল ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে শাওমি। এমনকি সাম্প্রতি সময়ে দেখা যাচ্ছে, মূলত গ্লোবাল মার্কেটকে কেন্দ্র করেই নিজেদের প্রোডাক্ট লাইনআপগুলোকে ডিজাইন ও বাজারজাত করছে শাওমি। এতে করে চীনের বাজারে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। যা হয়তো নিশ্চই শাওমির জন্য দুশ্চিন্তার অন্যতম কারণ।

শাওমি

একসময় হুয়াওয়েও গ্লোবাল মার্কেটকে ফোকাস করে একইরকম পলিসি নিয়ে মার্কেট ডমিনেট করেছিল। যার ফলস্বরূপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক অবরোধের কারণে তাদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। সুতরাং শাওমিও যদি একই পথে হাটে, তবে তাদের পরিণামটাও হয়তো এমনই হতে পারে তা আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছে শাওমি।

 

এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি এক ইন্টারভিউতে শাওমির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ফাউন্ডার ও সিইও ‘লি জুন’। ‘লি জুন’ বলেন, এখন থেকেই শাওমিকে লোকাল মার্কেটে গুরুত্ব আরোপ বৃদ্ধি করতে হবে। তার মতে, বিশ্বের সকল ব্র্যান্ডই মূলত তাদের লোকাল প্রোডাক্টগুলো গ্লোবাল মার্কেটে বাজারজাত করছে, যাতে তারা সফলও হচ্ছেন। সুতরাং শাওমিও এখন থেকে গ্লোবাল মার্কেটের পাশাপাশি চাইনিজ মার্কেটেকেও বেশ গুরুত্ব সহকারে দেখবে।

সাম্প্রতিক সময়ে চাইনিজ টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ের দুরবস্থা থেকে ইতিমধ্যেই শিক্ষা নিচ্ছে চীনে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। যে কারণে তারা মূলত সবাই লোকাল মার্কেটে বাজার দখলের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। তবে গ্লোবাল মার্কেট থেকে কিছু সরে এলে এই লোকালাইজেশন চায়নিজ ম্যানুফাকচারারদের মধ্যে লোকাল মার্কেটে প্রতিযোগিতার আরো বৃদ্ধি করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂




যেকোনো সমস্যা হলে গ্ৰুপে পোস্ট করলে অথবা পেজে মেসেজ দিলে সমাধান পেয়ে যাবেন 🔥🌺♥️🍀🌷
আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য,

Comment

Previous Post Next Post