iPhone 12’র প্রোডাকশন বাড়াচ্ছে অ্যাপল

চলতি মাসের মাঝামাঝিতে বাজারে এসেছিলো অ্যাপলের সর্বশেষ আইফোন লাইনআপ iPhone 12 সিরিজ। নতুন আইফোন বাজারে ছাড়ার পর এর প্রাইসিং এবং এর বক্সে চার্জার না থাকা ইস্যু নিয়ে অ্যাপল এতটাই সমালোচনা হয়েছিল যে, ধারণা করা হয়েছিল এবার হয়তো নতুন আইফোনের বিক্রি তুলনামূলক কমতে চলেছে। এমনকি ১৩ অক্টোবর iPhone 12 সিরিজ ঘোষনার পর অ্যাপলের শেয়ার মূল্য একদিনে পড়ে গিয়েছিল অনেকটাই। এবার দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ উল্টো ও ভিন্ন চিত্র।

রিপোর্ট অনুযায়ী, iPhone 12 ও iPhone 12 pro বিক্রি শুরু করার কিছু দিনের মাথায় ফোন দুটির বিপুল চাহিদা দেখেছে অ্যাপল। এই চাহিদা এতটাই বেশি যে এবার পুণঃনির্ধারিত ইউনিটের তুলনায় বাড়াতে হচ্ছে নতুন আইফোনের প্রোডাকশন। জানা যায়, সম্প্রতি সাপ্লাইয়ারদের আরও ২ মিলিয়ন (২০ লাখ) বেশি iPhone 12 উৎপাদন নির্দেশ দিয়েছে অ্যাপল। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ওলেড পেয়ারড ডিসপ্লে, নতুন মেটালিক ডিজাইন এবং ফাইভ জি কানেক্টিভিটিই মূলত নতুন আইফোনকে নিয়ে গিয়েছে গ্রাহক চাহিদার তুঙ্গে।

সম্প্রতি সিনডা সিকিউরিটিজ এর এক পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় অ্যাপলের নতুন এই আইফোনের চাহিদা ৮০-৮৫ মিলিয়ন ইউনিট লেভেল পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। এবং ২০২১ এর মধ্যে এর চাহিদা পৌঁছে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ২৩০-২৪০ মিলিয়ন ইউনিট। এই পরিসংখ্যান সত্যি হলে নতুন iPhone 12 সিরিজ আইফোনের ইতিহাসে বেস্টসেলার হিসেবে জায়গা করে নিতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত অ্যাপলের সর্বাধিক বিক্রিত স্মার্টফোনের তালিকায় ২২২ মিলিয়ন ইউনিট সেলিং নিয়ে শীর্ষে রয়েছে iPhone 6 এবং iPhone 6s।

বিখ্যাত টেক অ্যানালিস্ট ‘মিং চিং কুয়ো’ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এ বছর iPhone 12 Pro এর চাহিদা তার চিন্তার থেকেও কয়েকগুণ বেশি দেখা যাচ্ছে। কিছুদিন আগেও নতুন আইফান লঞ্চ হওয়ার পূর্বে মিং চিং কুয়ো ধারনা করেছিলেন, এবারের iPhone 12 Pro এর বাজার চাহিদা হবে সর্বোচ্চ ১৫- ২০ ভাগ, কিন্তু ফোনটির চাহিদা বেড়ে প্রায় ৪৫ ভাগ হয়েছে। বলা হচ্ছে, শুধুমাত্র iPhone 12 ও iPhone 12 Pro Max এর জন্য বাজারে আইফোনের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩০-৩৫ ভাগ।

বন্ধুদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂




যেকোনো সমস্যা হলে গ্ৰুপে পোস্ট করলে অথবা পেজে মেসেজ দিলে সমাধান পেয়ে যাবেন 🔥🌺♥️🍀🌷
আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য,

Comment

Previous Post Next Post