‘ব্যাটারিগেইট’ ইস্যুতে ৯’শ কোটি টাকা জরিমানা অ্যাপলের

 

মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপল খুব শীঘ্রই ‘ব্যাটারিগেট কেলেঙ্কারি’ মামলার অর্থ পরিশোধ করতে যাচ্ছে। দ্য ভার্জের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আমেরিকার ৩৪ টি রাজ্যকে প্রাথমিকভাবে ১১৩ মিলিয়ন ডলার দিতে সম্মত হয়েছে অ্যাপল। ‘ব্যাটারিগেট’ এর সূত্রপাত হয় ২০১৭ সালে যখন অ্যাপলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে যে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের পুরোনো আইফোনকে স্লো করে দিচ্ছে এবং একে ব্যাটারিজনিত সমস্যা বলে গ্রাহকদের ব্যাটারি রিপ্লেস করতে বাধ্য করছে।

অ্যাপল

সে সময় ব্যাটারি রিপ্লেসমেন্ট প্রোগ্রামে একটি ডিসকাউন্টও অফার করছিলো অ্যাপল। তাছাড়া পুরনো আইফোন ব্যবহারকারীদের এই স্লো/থ্রোটলিং বন্ধ করার অপশন ও দিয়েছিলো কোম্পানি কিন্তু এর বিনিময়ে ইউজারদের অনাকাঙ্ক্ষিত শাটডাউনের ভোগান্তিতে পড়তে হতো। ২০১৬ সালে বিশেষ করে iPhone 6, iPhone 7 ও iPhone SE মডেলগুলোতে সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছিলো অ্যাপল। অ্যাপলের এই কেলেঙ্কারিই পরবর্তীতে ‘ব্যাটারিগেইট’ নামে পরিচিতি পেয়েছিল।

 

যদিও শুরুর দিকে অ্যাপল প্রথমে এই অভিযোগ অস্বীকার করলেও চাপের মুখে পরে তারা স্বীকার করে এটা বলে যে, ফোনের প্রোসেসর ও ব্যাটারি সুরক্ষিত রাখতেই তারা পুরোনো ফোনগুলো স্লো করে দিয়েছিলো। একই সাথে যেসব গ্রাহক তখন ব্যাটারি রিপ্লেস করেছিলো তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়ারও প্রতিশ্রুতি দেয় তারা। এ ঘটনার পরপরই অ্যাপলের নামে একাধিক মামলা হয় এবং সর্বমোট ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়।

তবে এই মালার মীমাংসা করতে অন্তত ১১৩ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৯৭৫ কোটি টাকা) পরিশোধ করতে হবে অ্যাপলকে।  তাছাড়া সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা আদালত মামলাকারীদের পক্ষে রায় দেওয়া হয় এবং একই সাথে অ্যাপলকে নির্দেশ দেয় যাতে গ্রাহকদের কাছে তাদের স্মার্টফোন সংক্রান্ত কোনো তথ্য যাতে গোপন না রাখা হয়। অ্যারিজোনার অ্যাটর্নি জেনারেল মার্ক ব্রনোভিচ আদালতের নথিতে লিখেছেন, “অনেক গ্রাহক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উন্নত কার্যকরিতা পাওয়ার একমাত্র উপায় অ্যাপলের কাছ থেকে নতুন মডেলের আইফোন কেনা।”

বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂




যেকোনো সমস্যা হলে গ্ৰুপে পোস্ট করলে অথবা পেজে মেসেজ দিলে সমাধান পেয়ে যাবেন 🔥🌺♥️🍀🌷
আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য,

Comment

Previous Post Next Post