এক্সিনোজ চিপসেট ব্যবহার করতে যাচ্ছে শাওমি এবং অপ্পো

 

অনেক আগে থেকেই নিজেদের ফোনে স্যামসাংয়ের এক্সিনোজ চিপসেট ব্যবহার করে আসছে চাইনিজ টেক জায়ান্ট ভিভো। ভিভো এবং মটোরোলার পর এবার সম্ভব আগামীতে চাইনিজ ব্র্যান্ড শাওমি ও অপ্পোর ফোনে ব্যবহৃত হতে পারে এক্সিনোজ চিপসেট। সদ্য প্রকাশিত বিজনেস কোরিয়ার একটি রিপোর্টে অনুযায়ী, ২০২১ সাল নাগাদ শাওমি এবং অপ্পোর কাছে নিজেদের এক্সিনোজ চিপসেট সরবারহের পরিকল্পনা করছে স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্স এর এলএসআই ডিভিশন।

এক্সিনোজ চিপসেট

প্রতিবেদনে বলা হয়, শাওমি এবং অপ্পো উভয়েই তাদের প্রোডাকশন বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত চিপসেটের যোগান পাচ্ছে না। তাই সমাধান হিসেবে কোয়ালকম ও মিডিয়াটেকের পাশাপাশি এবার চিপসেট সাপ্লাইয়ার হিসেবে স্যামসাংকেও যুক্ত করছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এছাড়া কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট এর ক্রমবর্ধমান দামের জন্য বিকল্প খুঁজছে প্রায় সব স্মার্টফোন মেনুফেকচারার প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই কোয়ালকমের বিকল্প হিসেবে মিডিয়াটেকের পর স্যামসাংকেই বিবেচনা করছে ব্র্যান্ডগুলো।

 

তাছাড়া নিজেদের ফোনে এক্সিনোজ চিপসেট ব্যবহারের ফলে ফোনের প্রোডাকশন খরচ কমানো সম্ভব হবে এবং ফোনের প্রফিট মার্জিন বাড়বে বলে আশা করছে কোম্পানিগুলো। গুঞ্জন রয়েছে, আগামী বছরের আসন্ন নিজেদের বাজেট ডিভাইজগুলোর জন্য স্যামসাংয়ের এক্সিনোজ চিপসেট নিতে পারে শাওমি ও অপ্পো। যদিও এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি প্রতিষ্ঠানগুলো পক্ষ থেকে।

স্মার্টফোন বাজারে বরাবরই চিপসেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি নিবিড় প্রতিযোগিতা চলছে। তবে শুরু থেকেই ইন্ডাস্ট্রিতে শক্ত স্থান দখল করে রেখেছিলো মার্কিন চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোয়ালকম। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের নতুন প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ২৯ শতাংশ বাজার দখল ছিল কোয়ালকমের। ২৬ শতাংশ মার্কেট শেয়ার নিয়ে কোয়ালকমের পর দ্বিতীয় স্থানে ছিল মিডিয়াটেক। একই সময়ে হুয়াওয়ের হাইসিলিকন মার্কেট শেয়ার ছিল শেয়ার ১৬ শতাংশ, অ্যাপলের ১৩ শতাংশ, স্যামসাংয়ের ১৩ শতাংশ এবং ইউনিসক এর ৪ শতাংশ।

বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂




যেকোনো সমস্যা হলে গ্ৰুপে পোস্ট করলে অথবা পেজে মেসেজ দিলে সমাধান পেয়ে যাবেন 🔥🌺♥️🍀🌷
আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য,

Comment

Previous Post Next Post