১ জন মানুষ জীবনের ৯ বছর সময় স্মার্টফোনের পেছনে ব্যয় করেন

 

গত দুই দশকে মোবাইল ফোন আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে পরিণত হয়ে উঠেছে। স্মার্টফোন আসার পর থেকে এটি অনেকটা শেকড় গেড়ে বসেছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে। মর্ডার্ন যুগে আমরা ছেলে-বুড়ো সবাই দিনের বড় একটা অংশ মোবাইলের স্ক্রিনে তাকিয়ে ব্যয় করে থাকি। তবে হয়তো কখনোই চিন্তা করেছেন, জীবনের ঠিক কতটা সময় আপনি ফোনের পিছনে ব্যয় করছেন? সম্প্রতি Whistle Out নামের একটি ওয়েবসাইটের জরীপ থেকে জানা গিয়েছে এ সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ওয়েবসাইটটির দাবি, একজন সাধারণ মানুষ গড়ে তার জীবনের ৭৬,৫০০ ঘন্টা ব্যয় করে থাকেন স্মার্টফোন ব্যবহারের পেছনে। যা প্রায় ৮.৭ বছরের সমপরিমাণ সময়।

স্মার্টফোন

বিভিন্ন বয়সের ১,০০০ জন স্বেচ্ছাসেবীর উপর জরীপ চালিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। উক্ত স্বেচ্ছাসেবীদের তিনটি প্রজন্মের দলে বিভক্ত করা হয়। দল তিনটি হচ্ছে; ‘বেবি বুমার্স'(জন্মসাল ১৯৪৬-১৯৬৪), ‘জেনারেশন এক্স'(জন্মসাল ১৯৬৫-১৯৮০), ‘মিলেনিয়াল’ (জন্মসাল ১৯৮১-১৯৯৬)। এই গবেষণায় স্বেচ্ছাসেবীর প্রত্যেকের প্রতিদিনের স্ক্রিন টাইম সম্পর্কে তথ্য নেয়া হয় এবং তাদের জন্মসালের ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়।

 

গবেষণায় দেখা গিয়েছে ‘মিলেনিয়াল’ রা স্মার্টফোনের পিছনে প্রতিদিন গড়ে ৩.৭ ঘন্টা ব্যয় করে থাকেন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ‘জেন এক্স’ সদস্যরা দৈনিক গড়ে ৩ ঘন্টা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। অন্যদিকে ‘বুমার’ জেনারেশন প্রতিদিন মাত্র ২.৫ ঘন্টা ব্যয় করে থাকেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘মিলেনিয়াল’ (১৯৮১-১৯৯৬ সালে জন্ম গ্রহণ করা লোকেরা) স্মার্টফোন কিংবা ডিজিটাল স্ক্রিনে সবচেয়ে বেশি সময় অতিবাহিত করে থেকেন। তারা দৈনিক দিনের ২৪% সময় স্মার্টফোনের পেছনে ব্যয় করে করেন, এবং পুরো জীবনের প্রায় ৯ বছর সময় মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকেন।

স্মার্টফোন

এই সমীক্ষা থেকে এটা এটা স্পষ্ট যে, বর্তমান প্রজন্মের জন্য স্মার্টফোনের ব্যবহার অনেকটা আসক্তির পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। যা অবশ্যই একটা উদ্বেগের বিষয়। যদিও ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি যে, বিভিন্ন কোম্পানি তাদের ডিভাইজে ইউজারদের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে ‘ডিজিটাল ওয়েবলিং’ ফিচার অন্তর্ভুক্ত করছে। অন্যদিকে চলমান করোনাভাইরাসের লকডাউন কারণেও বেশিরভাগ মানুষের ডিজিটাল স্ক্রিনিং টাইম কয়েক গুন্ বেড়ে গিয়েছে। তবে এটা অস্বীকার করার উপায় নেই স্মার্টফোন এখন জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ।

বন্ধুদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂

ক্রেডিট




যেকোনো সমস্যা হলে গ্ৰুপে পোস্ট করলে অথবা পেজে মেসেজ দিলে সমাধান পেয়ে যাবেন 🔥🌺♥️🍀🌷
আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য,

Comment

Previous Post Next Post