অতিরিক্ত চাহিদায় সংকট দেখা দিতে পারে কম্পিউটার বাজারে

 

২০২০ সালের শুরুর দিকে মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পরে সারা বিশ্বে। যার ফলে এ সময়ে মানুষ ঘরবন্দী হয়ে পড়ায় বেড়ে যায় ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ কম্পিটারের চাহিদা। এই চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে নির্মাতারাও এখন চাপের মুখে। ফলস্বরূপ, সাপ্লাই চেইনের এই সংকট প্রায় ২০২২ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বাজারে ল্যাপটপ ও ডেস্কটপের অধিক চাহিদার মূল কারণ হলো মানুষের ঘরবন্দী হয়ে পরা।

এদিকে মহামারীর সংক্রমণ ঠেকাতে বর্তমানে অফিসগুলো বন্ধ থাকায় ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ এর প্রবণতা বেড়ে কয়েক গুন। তাছাড়া ডিজিটালাইজ হয়ে উঠে শিক্ষাব্যবস্থাও, শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে অনলাইনে ক্লাস করায় মনিটরের চাহিদাও বেড়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। কম্পিউটারের পাশাপাশি ট্যাবলেট এর বাজারও উল্লেখযোগ্য সফলতার মুখ দেখেছে। পিছিয়ে নেই গেমিং ইন্ডাস্ট্রি ও। কম্পিউটার হার্ডওয়্যারগুলোর মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে বড় স্ক্রিন সাইজের হাই রেজ্যুলেশন ডিসপ্লের।

 

রয়টার্স জানিয়েছে, ২০১৯ সালে নতুন কম্পিউটার ও ট্যাবলেট এর সংখ্যা ছিলো ১.৬৪ বিলিয়ন। যেখানে ২০২০ সালে এটি এসে দাঁড়ায় ১.৭৭ বিলিয়নে। কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এসার এর আমেরিকান প্রধান নির্বাহী বলেন, ২০২০ সালের মতো সাপ্লাই চেইনের উপর চাপ আগে কখনো পরেনি। সর্বশেষ ২০০৮ সালে তারা ৩০০ মিলিয়ন এর মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। এরপর কেবল ক্রমেই তাদের লাভের হিসাব কমতে থাকে। তিনি ধারনা করছেন ২০২০ সালে হয়তো তারা আবার ৩০০ মিলিয়নের মাইলফলক ধরতে পারবেন।

সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে তুমুল চাহিদা বিবেচনায় পর্যাপ্ত পরিমান ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ কম্পিউটার সরবারহ করতে হিমশিম খাচ্ছে পিসি মেনুফেকচারার প্রতিষ্ঠানগুলো। এদিকে কিছু কিছু ব্র্যান্ড ইতোমধ্যে তাদের পরবর্তী জেনারেশনের নতুন মডেলের কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এর ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছে, এতে করে সাপ্লাই চেনের উপর পণ্যগুলো সরবারহ করার চাপ আরও বাড়ছে। করোনাকালে কম্পিউটারে চাহিদা বাড়লেও স্মার্টফোনের বাজার এখনো তেমন ভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂




যেকোনো সমস্যা হলে গ্ৰুপে পোস্ট করলে অথবা পেজে মেসেজ দিলে সমাধান পেয়ে যাবেন 🔥🌺♥️🍀🌷
আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য,

Comment

Previous Post Next Post