ফেস রিকগনিশন কেলেঙ্কারিতে ফেসবুককে ৬৫০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা

 

ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি সংক্রান্ত জটিলতা এবং এ নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট ফেসবুকের কাছে নিত্তনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির অপব্যবহারকে কেন্দ্র করে এবার ৬৫০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা গুনতে যাচ্ছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। দ্য ভার্জ এর রিপোর্ট অনুসারে, ছয় বছর আগে করা এক ক্লাস অ্যাকশন মামলার জের ধরে ৬৫ কোটি ডলারে বিষয়টি মীমাংসার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন মার্কিন ফেডারেল বিচারক।

ঘটনার সূত্রপাত হয় ২০১৫ সালে, কুক কাউন্টি সার্কিট কোর্টে ফেসবুকের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন শিকাগোর আইনজীবী জেই ইডেলসন। তার অভিযোগ, ফেসবুক তার অনুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ফেসবুক মূলত তখন ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্যাগিং এর ফিচারটি আরও উন্নত করতে চেয়েছিলো। তবে এক্ষেত্রে ইউজারদের অনুমতি না নেওয়াটাই কাল হয়ে দাঁড়ায় ফেসবুকের জন্য।

 

মামলায় দাবি করা হয়েছিল, প্ল্যাটফর্মের ফেসিয়াল রিকগনিশন ট্যাগিংয়ের ব্যবহার ইলিনয় বায়োমেট্রিক ইনফরমেশন প্রাইভেসি অ্যাক্টে অনুমোদিত নয়। এর অর্থ হচ্ছে, গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া বায়োমেট্রিক ডেটা মজুদ করা হচ্ছিল, যা ইলিনয়ের আইন অমান্য করে। রিপোর্ট অনুসারে, ক্লাস অ্যাকশনে অন্তর্ভুক্ত ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ১৬ লাখ বাসিন্দাকে ‘যত দ্রুত সম্ভব’ অর্থ পরিশোধ করতে ফেসবুককে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

আদালতের বাইরেই দু’পক্ষের আইনজীবীদের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে জরিমানার অঙ্ক। ফেসবুক প্রথমে ৫৫০ মিলিয়ে ডলার জরিমানা দিতে রাজি হলেও ইউজারদের ফেস ডেটা কি কাজে ব্যবহার হয় এই প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেনি । আর তাই একে কেন্দ্র করে বিচারক আরও ১০০ মিলিয়ন ডলার যোগ করেন আগের জরিমানার সাথে। ২০১৯ সালে ফেসিয়াল রিকগনিশন অপশন-অনলি ফিচার হিসাবে চালু করে ফেসবুক।

বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂




যেকোনো সমস্যা হলে গ্ৰুপে পোস্ট করলে অথবা পেজে মেসেজ দিলে সমাধান পেয়ে যাবেন 🔥🌺♥️🍀🌷
আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য,

Comment

Previous Post Next Post