৫জি স্পীডের নতুন রেকর্ড গড়েছে স্যামসাং

 

এই দশকের প্রথম চমক ছিলো পঞ্চম প্রজন্মের ৫জি নেটওয়ার্ক। দিনকে দিন ফাইভজি কানেক্টিভিটি প্রসারের সাথে সাথে খুব দ্রুতই স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রিও গ্রহন করে নিয়েছে আধুনিক এই প্রযুক্তিকে। আর এরই মধ্যে ফাইভজি নেটওয়ার্ক নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে রেকর্ড তৈরির প্রতিযোগিতা। এতদিন পর্যন্ত ফাইভজি নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ স্পিড রেকর্ড ছিলো কোয়ালকম এবং নোকিয়ার দখলে। ফিনল্যান্ডে কোয়ালকম এবং নোকিয়ার একটি যৌথ প্রজেক্টে ৮ গিগাবিট পার সেকেন্ড স্পিড তুলতে সক্ষম হয় তারা।

তবে এবার দক্ষিণ কোরীয় টেক জায়ান্ট স্যামসাং ৫জি ইন্টারনেট স্পিডকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি অফিশিয়ালি স্যামসাং জানিয়েছে, নিজেদের ল্যাবে আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে ৮.৫ গিগাবিট পার সেকেন্ড স্পিড অর্জন করতে পেরেছেন তারা। আর এই গতি অর্জনে স্যামসাং ব্যবহার করেছে তাদের গত বছরের Galaxy S20+ স্মার্টফোনটি। নতুন এই রেকর্ড গড়তে মূলত নতুন ধরনের একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে স্যামসাং।

 

E-UTRAN New Radio Dual Connectivity (EN-DC) নামের এই প্রযুক্তির সাহায্যে ৪০ মেগাহার্জ এর ফোরজি নেটওয়ার্ক এবং ৮০০ মেগাহার্জ এর ফাইভজি নেটওয়ার্ক এলটিই বেইজ স্টেশন সমন্বয় করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ ব্যাপারে স্যামসাং নেটওয়ার্কস এর ভাইস প্রেসিডেন্ট জি-ইয়ুন সিওল জানিয়েছেন, ফাইভজি নেটওয়ার্ক এ যুগান্তকারী এই অর্জনের জন্য স্যামসাং গর্বিত। একই সাথে তিনি আরো জানান, এটি প্রমাণ করে যে ব্যবহারকারীদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার জন্য স্যামসাং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

স্যামসাংয়ের দাবি, তারা এমএমওয়েভ-এ ৪০ মেগাহার্টজ ৪জি ফ্রিকোয়েন্সি এবং আটশ’ মেগাহার্টজ ৫জি ফ্রিকোয়েন্সি একত্র করতে সক্ষম হয়েছে। উল্লেখ্য, এই গতি স্যামসাং তাদের ল্যাবের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অর্জন করেছে। বাস্তব জগতে এই গতি অর্জন করা কখনোই সম্ভব নয়। তাছাড়া কেবলমাত্র EN-DC সাপোর্টেড ডিভাইসেই এর কাছাকাছি গতি অর্জন করা সম্ভব হবে। গেল বছর প্রতিষ্ঠানটি তাদের এমইউ-এমআইএমও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৪.২৫ জিবিপিএস পর্যন্ত গতি তুলতে পেরেছে।

বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂




যেকোনো সমস্যা হলে গ্ৰুপে পোস্ট করলে অথবা পেজে মেসেজ দিলে সমাধান পেয়ে যাবেন 🔥🌺♥️🍀🌷
আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য,

Comment

Previous Post Next Post