৫৩ কোটি ফেসবুক ইউজারের মধ্যে আপনার তথ্য ফাঁস হয়নি তো?

 

সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ফেসবুক এর বিরুদ্ধে আবারও একটি গুরুতর ও বড়সড় ডেটা প্রাইভেসি ব্রিচের অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে এবার বাংলাদেশ সহ বিশ্বের ১০৬টি দেশের প্রায় ৫৩৩ মিলিয়ন ফেসবুক ইউজারের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে নিম্ন স্তরের হ্যাকিং ফোরামগুলোতে। এর মধ্যে এক কোটি ১০ লক্ষ ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য ব্রিটেন থেকে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিন কোটি এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে ৭০ লক্ষ মানুষের তথ্য ফাঁস করে দেয়া হয়েছে। ফাঁস হওয়া তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৪ নম্বরে। এর দ্বারা প্রভাবিত বাংলাদেশের মোট ৩৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৩৯ ফেসবুক ইউজার।

ব্লিপিংকম্পিউটারডটকম নামে একটি সাইটে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে এক রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের জুন মাস থেকে হ্যাকারদের একটি ফোরামে এসব তথ্য প্রকাশ হতে শুরু করে। ফোরাম সদস্যদের মধ্যে এই ডেটাবেজ বেচাকেনা শুরু হয়। ফাঁস হওয়া ডেটাবেজে রয়েছে ব্যবহারকারীর ফেসবুক আইডি, মোবাইল ফোন নাম্বার, ইমেইল ঠিকানা, জন্ম তারিখ, লিঙ্গ, বৈবাহিক অবস্থা, অবস্থানের ঠিকানা, পেশা ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য।

 

যদিও ফেসবুকের তরফের জানানো হয়েছে, ‘এগুলি সবই ২০১৯ সালের ডেটা এবং সেই সময়ই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।’ তবে অ্যালনের মতে, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটটি এই ঘটনাটিকে ‘পুরোনো’ দায় হিসাবে ঝেড়ে ফেললেও, ব্যবহারকারীদের কিন্তু সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কেননা বারংবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করে ফেসবুক আবারও প্রমাণ করে দিয়েছে যে, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটিকে আর ভরসা করা যায় না।

তাই যেসকল ইউজারদের ডেটা ফাঁস হয়ে গিয়েছে, তাদের তালিকায় আপনিও আছেন কিনা, তা জানার জন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হলো:

  • ১. প্রথমেই https://ift.tt/1l33Xi1 ওয়েবসাইটে যেতে হবে।
  • ২. তারপর ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত আপনার ইমেল অ্যাড্রেস লিখুন এবং এন্টার বোতামটি প্রেস করুন।
  • ৩. এখানে আপনার ইমেল আইডিটি ফেসবুক বা অন্য কোনো সোশ্যাল মিডিয়া দ্বারা ফাঁস হয়েছে কিনা তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂

ক্রেডিট




যেকোনো সমস্যা হলে গ্ৰুপে পোস্ট করলে অথবা পেজে মেসেজ দিলে সমাধান পেয়ে যাবেন 🔥🌺♥️🍀🌷
আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য,

Comment

Previous Post Next Post